মানবতা আছে সেখানে ?!!

মানবতা আছে সেখানে ?!!

 

আমি কে ?

নিজেকে প্রশ্ন করি ,

প্রথম উত্তর “মানব” ;

সত্যিই কি আমি মানব ?

কাটা-ছেঁড়া করে দ্যাখো তো আমার খোলসকে……

মানবতা আছে সেখানে ?!!

 

আমি কে ?

আবারো প্রশ্ন করি ,

দ্বিতীয় উত্তর “তুমি নাকি জীবদের মধ্যে সেরা !”

বিবেক বা আত্নার ব্যঙ্গময়, দূর্বোধ্য হাস্যরস !

সত্যিই আমি কি জীবদের মধ্যে সেরা ?!

টুঁটি চেপে ধরি বিবেকের

আমিই কি শ্রেষ্ঠ ?

তবে কেন একটা পিঁপড়ের মৃত্যুর চেয়েও

দৈনিক আমার যে মানসিক মৃত্যু তা কম অর্থহীন – চেষ্টাহীন ?

কেন আমারই সমগোত্রীয় আরেকজন

আমার খোলস আর মনের একেকটা অনুভূতির গুটিকে

দাবার বোর্ড থেকে খেলাচ্ছলে ফেলে দেয় ?

 

আমি কে ?

নিজেকে প্রশ্ন করি ,

তৃতীয় উত্তর “সকালে পার্ট-টাইম শিক্ষক আর সারাদিন পলিটিশিয়ান” ;

সত্যিই কি আমি তাই ?!

বিবেক তুমি কিন্তু বড্ড রসিকতা করছো !

আজ কেন আমি বহুরূপী,

বলতে পারো ?

বিবেক উত্তর দেয় “তোমার ঐ সামাজিক ভাবমূর্তির আত্নরক্ষার জন্য!?!”

তারপর বিবেক দারুণ একটা অট্টহাসি দেয়

আর বলে “তুমি যদি আমার কবরকে, সততার সাথে,

এতটাই খুঁড়তে পারলে, তবে কেন আর আমায় প্রশ্নবাণে জর্জরিত করছ?

আমি চললাম, তবে তুমিই জানো – তুমি কে,

তুমিই জান – তুমি কি হতে পারো বা পারতে…….”

 

হ্যাঁ জানি, বিবেক, আমি কে,

কিন্তু ঐ যে, রক্তচক্ষু, আমায় শাসায়,

হ্যাঁ তারপরও আমি বলব, মৃত্যু হোক,

আমি কোন সাহসী যোদ্ধা

যে একাক্তরে প্রান দিয়েছে,

আমি কোন মাতা যে পরিবারের

একমাত্র স্নেহশীলা,

কিংবা আমি কোন নরম মনের সাধারন লোক

অথচ সেই আমিই আবার যোদ্ধা হয়ে প্রতিরোধ গড়ি,

আমি সবার চোখে আজ হয়তঃ কোন উন্নাসিক অথবা উন্মাদ

যে আমিই কিনা একদিন চার্চের ফাদার থাকা অবস্থায়

দুনিয়ার সব মানুষের লেটেষ্ট, আপ-টু-ডেট, মাইন্ড-ব্লোয়িং

অন্যায়-অত্যাচারের সঙ্গে ঝুঝে একপাক্ষিকভাবে জিতেও

নিজে জীবনের কাছে পরাজিত হয়ে আজ মানসিক ভারসাম্যহীন!

অথবা আমি কোন বেওয়ারিস আসামীর লাশ

যে আমি বোনের লান্ঞ্চণাকারীকে খুন করেছি অথচ এখন আবার তারই বিচার চাচ্ছি!

 

…চরিত্রের এতসব ডাইমেনসন আজ আমি পেলাম বলেই তো বিবেককে খোঁড়া

আজ আমার সার্থক হল||

 

 

নীরব সঙ্গতায়...

নীরব সঙ্গতায়…

 

আমার কাব্যময়তার জন্য নিশুতি রাতের একাকী চাঁদকে আর কাছে চাই না

কারন এসব পার্থিবময়তায় আমার আর একেবারেই আকর্ষন  নেই!

ফেলে আসা দিনগুলোর মতো শুধুমাত্র এগুলোর জন্য আমি আর বাঁচি না,

তবে এখনও নীরব সঙ্গতায় তুমি আছো জানি বলেই হয়ত বেঁচে আছি।

 

চারপাশের এই ঠুনকো সভ্যতার খোলস পরা

সমাজের সাথে শুধুমাত্র তাল মেলাবার খাতিরে

আমি আর  বাঁচি না।

জানি তুমি পাশে আছো সবসময় তাই বলেই হয়ত এখনো বেঁচে আছি।

 

ভারসাম্যহীনের মতো সেজে নতুন আলোর অপেক্ষায়

আর মিছে অভিনয় করে যেতে চাই না।

তারপরও প্রায় পুরোপুরি ভুলে যাওয়া তোমার স্মৃতির

অবশিষ্ঠ ভগ্নাংশে যদি লতা হয়ে আবার বাড়তে অধিকার দাও,

তবে জানবে এখনো নীরব সঙ্গতায় তুমি আছো জানি বলে হয়ত বেঁচে আছি।

 

 

 

জাগাতে এসেছি তোমায়, জানাতে এসেছি মনোবেদনার সুর...

 

 

 

জাগাতে এসেছি তোমায়

জানাতে এসেছি মনোবেদনার সুর

তুমি তো জানো না তুমি কতো সুন্দর

চিরদিনই তোমার মত একজনকে খুঁজে পেতে চেয়েছি

শুধু এ কথাই বোঝাতে চেয়েছি যে বাকী জীবন তোমাকে পাশে চাই

চিরদিনই তোমাকে জানাতে চেয়েছি যে তুমি কতটা স্বতন্ত্রময়ী।

 

আজ তোমার কোন কথাই আর অব্যক্ত রেখো না

আমারও কোন কিছু আর জানতে বাকী রেখো না

আমরা যদি আরেকবার প্রেমের সেই মাহেন্দ্রক্ষনে ফিরে যেতে পারতাম

এই শেষের থেকে যদি আরেকবার হতো শুরু

তবে কেমন হতো।

 

আজ মনে হলো সারাজীবনটাই যেন একটা চক্রের মধ্যে কেটেছে

অধরার পিছনে মিথ্যে দুজনেই ঘুরেছি

তাই স্বভাবত একজন আরেকজনকে বোঝার মানসিকতা থেকে বহুদূরে ছিলাম

অবশ্য কেউ আগে কখনও বলেনি যে ব্যাপারটা খুব সোজা হবে

এত সমমনা হয়েও হঠাৎ তোমার এভাবে চলে যাওয়াটা ছিল মনোবেদনার

তারপর তোমাকে চিনতে পারার আগেই হারানোটা ছিল অসহনীয়

তবুও আমরা যদি আরেকবার প্রেমের সেই মাহেন্দ্রক্ষনে ফিরে যেতে পারতাম

এই শেষের থেকে যদি আরেকবার হতো শুরু

তবে কেমন হতো।

 

কাঠের পুতুলের মত যান্ত্রিক দৃষ্টিতে তোমার মনের অজানাকে জানার আশায়

ছবি, চিত্রকলা আর সংখ্যাতত্ত্বের ফাঁদে কিছু মাপজোক কষেছিলাম

তবে খুব দেরীতে এসে বুঝলাম জানা-অজানার মাঝে যে ফারাক তা

চিরকালই থেকে যায়

দুনিয়ায় শেষপর্যন্ত যতই উন্নতি ঘটুক

তা আমার মনের কথাকে ভাবে প্রকাশ করার মত শক্তিশালী কখনও হবে না

আমাকে তোমার মনের ভালবাসা বুঝিয়ে দাও

আমাকে জানিয়ে দাও যে সারাভুবনে তুমি চিরদিনই আমার মত একজনকে খুঁজে ফিরছো।।

 

 

 

আমি যদি একজন আঁকিয়ে হতাম

তবে আমার অবসরের অন্যমনস্কতাকে রাঙিয়ে দিতাম

তবেই জানতাম যে একমাত্র এভাবেই আমি

তোমাকে আবার কাছে ফিরে পেতে পারি।

 

আমরা ওখানে ওভাবেই বসে থাকতাম

যেভাবে আমাদের আগের দিনগুলো কেটেছে

পেঁজা তুলোর মত মেঘের ওপরে কেটে যেতো বেশ

আর নীচে থেকে খুব ঈর্ষাভরে

সবাই আমাদের দিকে চেয়ে থাকতো।

 

আর আমি বসে বসে মনের জানালায়

ভাবছি সেইসব জায়গার কথা

যেখানে আগে তোমার আর আমার দেখা হত দুজনে

আর অবচেতন মনে টের পাচ্ছি যে

আমার হাতের তুলি কল্পনার সেই ছবি

বাস্তবের পটেই যেন টানা এঁকে চলেছে।।

 

 

 

তুমি কি আজ মিশে যেতে চাও

এই রাত্রির নিস্তব্ধতায়

যাবে কি, বলো যাবে কি

শুধু তোমার কথা ভেবে

কতদিন এমন একটি গান লিখতে চেয়েছি।

 

নির্জন- পুরো ফাঁকা একটা বাসে

চলো চলে যাই দুজনে

তোমাকে নিয়ে যাবো সেখানে

যেখানে কাঠের পুতুলের

মিছে মায়া ভালবাসা নেই।

 

আমি তোমার সাথে

সেখানে হেঁটে চলে যেতে চাই – সেই দূরে, বহুদূরে

সে দিনটি হয়ত মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে

ভ্যানগগের দি হারভেষ্টার বা গ্রিনকর্ন চিত্রকর্মের মত

দিগন্ত বিস্তৃত মাঠ দিয়ে হেঁটে যাব আমি

যেখানে হলুদ শস্যে মাঠ ভরে গেছে

তবুও কি তুমি আমার সাথে পথে পথ মেলাবে না।

 

চলো চলে যাই পাহাড়ের কোন চূড়ায়

যেখানে তোমাকে আমাকে সদ্য জন্ম নেয়া

দুটি কৃষ্ণপক্ষের পাখী বলে ভ্রম হবে

যা সবাই হয়ত অবাক বিস্ময়ে চেয়ে রবে।

 

ওখানে আমরা হয়ত এতই নিশ্চিন্ত হয়ে যেতাম যে

সারাদিন একমাত্র বৃষ্টির শব্দেই আমাদের ঘুম ভাঙত

যেমন করে গহীন জঙ্গলের একমাত্র বাড়ীতে

অনেকদিন পর বরষার প্রথম বৃষ্টির

টুপটাপ শব্দ শোনা যায়

সারাটি জীবন এভাবেই যদি

স্বপ্ন আর কল্পনায় সত্যিই কেটে যেত

তবে কেমন হত!

 

 

 

যদি তুমি একদিন ঘুম ভেঙ্গে উঠে দেখো

কোথাও কোন আলো নেই

কোনও সত্যি বা মিথ্যে নেই

যদি একদিন জেগে উঠে দেখো

কোথাও সময়ের কোন ব্যাপারই নেই

এবং সবকিছুই ধ্বনিমাধুর্যহীন অর্থশূন্য হয়ে গেছে….

 

যদি তোমাকে একদিন এমন কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হয় যে

তুমি আমাকে আর কোনদিন তোমার পাশে দেখতে চাও না

কিংবা তুমি তোমার জীবনে আর আমাকে চাও না……

 

ধরো জীবনে আমি কিছু ভুল করেছি

যেগুলো পৃথিবীর কোন কবিতা বা গানের সুর

আমার মনের এ কথাগুলোকে ভাবে প্রকাশ করতে পারল না

বা তোমাকে বোঝাতে পারল না

যে আমি তোমার পাশে আছি।

 

যদি তোমাকে একদিন এমন কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হয় যে

তুমি আমাকে আর কোনওদিন তোমার পাশে দেখতে চাও না

কিংবা তুমি তোমার জীবনে আর আমাকে চাও না………

 

তবে চলো আমরা এগুলো থেকে বেরিয়ে আসি

দুনিয়ার নানান জটিলতাকে পাশ কাটিয়ে

চলো আমরা আর একবার নতুন করে চেষ্টা করে দেখি…….

 

এখন এমন সময় এসেছে যে জীবনের প্রত্যেকটা ধাপই

একেকটা মস্ত বড় ভুল হয়ে যেতে পারে

এবং প্রত্যেকটা ধাপই তোমাকে একেবারে ভেঙ্গে ফেলতে

বা মচকাতে পারে

তারপরও জানবে – এরই নাম বেঁচে থাকা

বেঁচে থাকতে হলে এমন ঝুঁকি তো প্রতিমূহূর্তে নিতেই হয়।

 

 

যদি তোমাকে একদিন এমন কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হয় যে

তুমি আমাকে আর কোনওদিন তোমার পাশে দেখতে চাও না

কিংবা তুমি তোমার জীবনে আর আমাকে চাও না……..

 

তবে চলো আমরা এগুলো থেকে বেরিয়ে আসি

দুনিয়ার নানান জটিলতাকে পাশ কাটিয়ে

চল আমরা আর একবার নতুন করে চেষ্টা করে দেখি……….

 

তবু এতকিছুর পরও তুমি জানবে যে

আঁধারের পর আলো আসবেই।।

 

 

এ কবিতার গঠনমূলক  মন্তব্য / সমালোচনা পড়তে চাইলে এই ফোরাম – (রংমহল )থেকে বেড়িয়ে আসুন…

 

 

এক বরষার দিন

মার্চ 2, 2009

 

 

 

 

আজ সারাটা দিন কেমন যেন শীত-শীত,

প্রকৃতি বড় বিষাদাচ্ছন্ন

সারাদিন টুপটাপ বৃষ্টি, হাওয়া বইছে বেশ -

এখনও হয়নি পরিশ্রান্ত

আঙ্গুরের থোকাগুলো যদিও দুলছে,

তবু দেয়াল আঁকড়ে পড়ে থাকে যেন

কিন্তু বাতাসের দাপটে প্রতিবারই ঝরাপাতারা ঝরে যাচ্ছে

আর এই দিনটি বড় নিরানন্দ……..

 

আমার জীবন যেন তেমনি আঁধারে ভারাক্রান্ত

মনে সারাদিন বৃষ্টি – হাওয়া বইছে বেশ – হয়নি শান্ত

 

মন আমার বারে বারে চলে যায়

আবছা মনের জানালায় -

দিগন্ত-বিস্তৃত অতীতে

কিন্তু তবু যৌবনের উচ্চাশা – মোটা দাগে

এত তান্ডবের পরও জেগে থাকে

আর এই দিনটি তো অবশ্যই কাটছে নিরানন্দ……..

 

মন, তুমি শান্ত হও!!

আঁধারের কালো মেঘের ওপারে

জেনো আলো হাসছে

কারন তোমার নিয়তি যে আর সবার মত -

তা আজ জানতে পেরেছো বলে

সবার জীবনে কিছু বৃষ্টি এসে ভিজিয়ে দিতেই হয়

সবার জীবনে কিছু কিছু দিন তো অবশ্যই

অন্ধকারাচছন্ন কাটাতে হয়।।

 

এ কবিতার গঠনমূলক  মন্তব্য / সমালোচনা পড়তে চাইলে এই ফোরাম – (রংমহল )থেকে বেড়িয়ে আসুন…

 

 

 

 

 

 

 

মনে-আত্মায় বাঙালী

ফেব্রুয়ারি 21, 2009

 

 

সবসময় মনে হয়

আমি নিস্পন্দ, নিথর ;

মাটিতে কান পাতি

কোন শব্দ নেই – পাথর ;

সমুদ্রের জলে চোখ রাখি

কোন রঙ নেই – গভীর ;

সূর্যে, প্রচন্ড জেদে, তাকিয়ে থাকি

তাকিয়েই থাকি, ভাবি অন্ধ হতে আর কতদূর ,

রাতে চাঁদ দেখি

ৌন্দর্যে মুগ্ধ হইনা একবার ,

তথাকথিত সমাজ বিবর্তনে, অকারনে জেলেতে বন্দী থাকি

তবুও ভয় নাই কিছু হারাবার ,

নিজের খোলসকে ছিঁড়ে ছিন্ন-ভিন্ন করি

মনে অনুভূতি আসে না কোনবার ,

নিজের বিবেকের টুঁটি চেপে ধরি

বল্ কি পরিচয় আমার ?

 

মাঝে মাঝে ভুল করে ভাবি

আমি কি আসলে পৃথিবীর কাছে ঋৃণী ?

কারন,যখন দেখি অট্টালিকায় বসে

পৃথিবী যাদের সবাইকে বানিয়েছে – ধনী ” ,

তখন নিজেকে বড় ভাগ্যবান মনে হয়

ধন না থাকুক, মনে এবং আত্নায় আমি ধনী ” ,

 

আমি থাকি পাশেই ছোট্ট কুটিরে

নাম রেখেছি তার – ধানী ” ,

লতা জন্মিছে উঠানভরে

ছাদে জমেছে পানি ,

বরষার প্রথম বৃষ্টি পড়ে

উঠান ভরিছে আনি ,

প্রত্যূষে পাখিরা কলরব করে

মধুরকন্ঠী- নাম না তাদের জানি ,

সূর্য যখন জানালা দিয়ে ঢুকে পড়ে

তখন ভোরে বাতাসে শুরু হয় কানাকানি ,

 

আমি যে মনে-প্রানে বাঙালী

আজ আমি যে শুধু তাই জেনেছি ||

পুরনো আদি-অকৃত্রিম মৌলিক সৃষ্টির পাতা থেকে...

কবিতায় সর্পিল গতিতে বৃক্ষলতার মত আমার যত আঁকিবুকি...

 

এ কবিতার গঠনমূলক  মন্তব্য / সমালোচনা পড়তে চাইলে এই ফোরাম – (রংমহল )থেকে বেড়িয়ে আসুন…

 

 

 

পবিত্র আত্মা

ফেব্রুয়ারি 21, 2009

 

 

ক্লান্ত দুপুরে

কাঠফাটা রোদে

ব্যস্ত কাকেরা

খাবারের সন্ধানে

শূন্য জনপথ

ক্লান্ত আমিও

দাঁড়িয়ে অবনত মাথায়

শহীদের চত্বরে

এক ঘৃনা

দূর্মর স্বপ্ন

কিংবা না পাওয়ার ব্যথা

নিয়ে দাড়িয়ে

না,আমার মরন হয়নি

স্পর্ষ করেনি সেই শীতলতা

উত্তপ্ত রাজপথ

ব্যস্ত জনপথ

ফিরবে না কেউ

আমায় দেখতে

নেই আমার কোন অবদান

এই নাম বাংলাদেশে

ক্ষুদ্র বিন্দু হিসেবে

তাই আজ সমস্ত অপবাদ

কিংবা রক্তচক্ষুর আড়ালে

নিভৃতে  তোমাদের স্মরি গো

পবিত্র আত্না।।

কবিতায় সর্পিল গতিতে বৃক্ষলতার মত আমার যত আঁকিবুকি...

কবিতায় সর্পিল গতিতে বৃক্ষলতার মত আমার যত আঁকিবুকি...

 

 

 

 

 

 

 

এ কবিতার গঠনমূলক  মন্তব্য / সমালোচনা পড়তে চাইলে এই ফোরাম – (রংমহল )থেকে বেড়িয়ে আসুন…

 

 

 

মুক্তিযুদ্ধে যে সদ্যজাত বাঙালী শিশু

 

শত্রুপক্ষের প্ররোচনায়

 

বুদ্ধি, সত্তা ও জ্ঞান হারিয়েছিল

 

হারিয়েছিল তার আত্মার-আত্বীয় পরিবারের সকলকে

 

সে এখন জ্ঞান-বুদ্ধিতে বিশাল হয়েছে

 

সে এখন জানতে পেরেছে

 

যে আরেকটা দূর্নীতিবিরোধী মুক্তিযুদ্ধের প্রয়োজন হয়েছে

 

সংগ্রাম আমাদের সত্তার সংগ্রাম

 

টি আমাদের আত্মপরিশুদ্ধির সংগ্রাম।।

 

 

কবিতায় সর্পিল গতিতে বৃক্ষলতার মত আমার যত আঁকিবুকি...

কবিতায় সর্পিল গতিতে বৃক্ষলতার মত আমার যত আঁকিবুকি...

 

খোলস,মন আর আত্মা

জানুয়ারি 27, 2009

 

 

                        তুমি কি শুধু আমার বাইরের

                          খোলসটারেই দেখলে?

এর ভিতরে যে একটা মন আছে

মনের ভিতরে যে একটা আত্মা আছে

জগতের ভুলে সেই মনরে তুমি দেখলে না

সেই আত্মারেও তুমি চিনলে না!

 

দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত খালি

আমার খোলসটাকে নিজের বানানোর লাগি

তোমরা চিহ্ন দিলে, তিলক আঁকলে

নাম রেখে একই গোয়ালের গরু বানালে!

দুনিয়ায় নানান মিথ্যা জটিলতা পাকালে!

তার সাথে অন্তরে অন্তর বাঁধালে

যারে জীবনেও দেখি নাই, চিনি নাই বা চাই নাই!

খোলসটা কেটে এক টুকরো নিয়ে বললে

এইটা নাকি আরেকটা আমি‘!

সব্বাইকে বললাম এই আমি‘ – মি না!

ওর আত্মা - আমার আত্মা এক না!”

আত্মার ভেতরের কথা হলো এই তোমরা আমার

জীবনটাকে শুধু শুধু জাহান্নাম বানালে,

দৌড়ের গাড়ী বানিয়ে চাবি মেরে ছেড়ে দিলে

একটা মূহূর্তও ভাবতে দিলে

না যে এই আমিটা কে,ভাবতে দিলে

না সেই উপরওয়ালার কথা!”

 

আজ তোমরা যে আবার আমারে

আরেক মাটির দোলনায় শুইয়েছো,জীবনের তরে

শেষবারের মত এই একটা কথা বরাবরই

বলতে চেয়েছিল মন তোমাদেরে

আমার খোলসটা তোমাদের!

আমার মনটাও তোমাদের হাতের

খেলনা পুতুল মাত্তর!

কিন্তু আত্মাটা আমার

এবং এটাই শেষ সম্বল সবার!

চললাম!?”

 

এ কবিতার গঠনমূলক  মন্তব্য / সমালোচনা পড়তে চাইলে এই ফোরাম – (রংমহল )থেকে বেড়িয়ে আসুন…

 এ আঁধারে, অকূল-পাথারে

কেউ কি কারো নয়?

কেউ কেউ কেন তবে কারো

তরে পড়ে রয়?

সকলে কেন ভুল করে

বলে সব্বাই সমান নয়?

অবশ্য প্রতিভায় সমান সকলেরে

দেখি জন্মথেকেই!?

 

তারপরেতে শুরু হয়

প্রতিভার অবক্ষয়!

সেই হারানোর ক্ষয়

সারাজীবন মন অন্যের ঘাড়ে চাপায়!

অবশেষে একদিন মন কিছু না পাওয়ায়

ব্যথা বয়ে চলে যেতেই হয়!

জীবনটা এভাবেই না-পড়া বই

এর মত বৃথাই কেটে কুটে যায়

সময়ের সাধনাই যে প্রতিভার বাড়া বা বড়াই

কথাটি যেন সকলের মনে রয়

সাধনই সকলের সত্য পরিচয়

কথাটি জানিয়েই সমাপ্তির দিকে যাই!

 

 

কবিতায় সর্পিল গতিতে বৃক্ষলতার মত আমার যত আঁকিবুকি...

কবিতায় সর্পিল গতিতে বৃক্ষলতার মত আমার যত আঁকিবুকি...